مدرسهتيبية إسلامية سونيا فازل

মাদরাসা-এ-তৈয়বিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী)

MADRASAH-E-TAYABIA ISLAMIA SUNNIA FAZIL

ইতিহাস


সর্বপ্রথম মহান রাব্বুল আলামীনের হামদ ও শুকরিয়া আদায় করছি, অসংখ্য দরুদ ও সালাম নবীকুল সরদার হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ও্যাসাল্লামের প্রতি, শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি প্রিয় নবীর পদাঙ্ক অনুসারী পূণ্যাত্মা বান্দাদেরকে- যাঁদের অনুপম আদর্শ ও ত্যাগের বিনিময়ে ইসলামের শাশ্বত মূল্যবোধ আজো বিশ্বব্যাপী অম্লান। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি কুতুবুল আউলিয়া হযরত সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিকে এবং ইসলামের মূলধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’র মতাদর্শালোকে দ্বীনিশিক্ষার আলো বিতরণে যাঁরা যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করেছেন, প্রতিষ্ঠা করেছেন অসংখ্য সংস্থা-সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।
আল্লামা সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আনজুমান-এ- রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট’র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পরিচালনায় আজ দেশব্যাপী গড়ে উঠেছে অর্ধ শতাধিক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনিশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদরাসা-এ-তৈয়বিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী) আনজুমান’র পরিচালনাধীন একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৫ সালের ১৬ জানুয়ারি অত্র প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পরিষদের তত্ত্বাবধানে ২৮ জন সুযোগ্য ও সুদক্ষ শিক্ষকমন্ডলীর সুষ্ঠু পাঠদানে শিশু শ্রেণি হতে ফাযিল (ডিগ্রি) পর্যন্ত সর্বমোট ১৬টি শ্রেণিতে বার শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত অধ্যয়নরত। হিফযুল কোরয়ান বিভাগে রয়েছে ৫০ জন শিক্ষার্থী।

সরকার স্বীকৃতি লাভঃ

০১-০১-১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সরকারীভাবে অনুমতি লাভ। ০১-০১-১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে দাখিল স্বীকৃতি। ০১-০৭-১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে আলিম স্বীকৃতি। ০১-০৭-২০০১ খ্রিস্টাব্দে ফাযিল অনুমতি এবং ২৯-০৫-২০০৭ খ্রিস্টাব্দে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অধিভুক্তি লাভ।

শিক্ষকমন্ডলীঃ

 

বর্তমান শিক্ষকমন্ডলীর সংখ্যা ৩৬ জন।

অফিসিয়াল কর্মকর্তা ও কর্মচারীঃ ১৫ জন।

 

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ 

আবাসিক অনাবাসিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১৪০০ জন।

হিফয বিভাগে ছাত্র সংখ্যা ঃ ৬০ জন। 

 

শিক্ষার স্তর সমূহঃ  

১. ইবতেদায়ী(প্রাথমিক) স্তর ঃ শিশু শ্রেণি পর্যন্ত।

২. জুনিয়র দাখিল(নিম্ন মাধ্যমিক) স্তর ঃ ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত।

৩. দাখিল বা (মাধ্যমিক) স্তর ঃ নবম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত।

৪. আলিম (উচ্চ মাধ্যমিক) স্তর ঃ আলিম ১ম, ২য় বর্ষ। 

৫. ফাযিল (ডিগ্রী) স্তর ঃ (৩ বছর মেয়াদী) ১ম,২য়,৩য় বর্ষ।

 

আবাসিক ভবন ঃ 

৪ তলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবন ১টি।

৫ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন ১টি।

৫ তলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবন ১টি।

সামনে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ।

কক্ষ সংখ্যা ঃ অফিস কক্ষ ৩টি, শিক্ষক মিলনায়তন ১টি, শ্রেণি কক্ষ ১৮টি, এবাদত খানা ১টি।

*কম্পিউটার ল্যাব ঃ                   ০১টি

*আইসিটি কক্ষ ঃ                    ০২টি

*সুপরিসর লাইব্রেরি কক্ষ ঃ         ০১টি

*সুপরিসর হিফয খানা কক্ষ ঃ        ০১ টি

*ডাইনিং হল ঃ                          ০১টি

*শিক্ষক আবাসন ঃ                    ০২টি

*কর্মচারী আবাসন ঃ                   ০২টি

*ছাত্রাবাস কক্ষ ঃ                      ২০টি

 

অন্যান্য তথ্য ঃ 

হাই বাঞ্চ-৩৬৩, লো বেঞ্চ-২৯৪টি, শিক্ষক চেয়ার ৮০টি, শিক্ষক টেবিল ৪১টি, ব্ল্যাক বোরড-১৬টি, হোয়াইট বোরড-১২টি, কাঠের আলমারি-৪টি, স্টিল আলমারি-২৬টি, ফাইল কেবিনেট ৪টি, সিলিং ফ্যান ১১৪টি, টেবিল ফ্যান ৩টি, আই,পি,এস ৩টি, মটর ইঞ্জিন ২টি, শিক্ষক সেলফ স্টিল(১৮ জন বিশিষ্ট) ২টি। হেফজ খানা ছাত্রের স্টিল সেলফ ৪০জন বিশিষ্ট।

গ্রন্থাগার ১টি-নাম ঃ ইমাম আহমদ রেযা (র.) গ্রন্থাগার। মওজুদ পুস্তক সংখ্যা ৩৫০০টি। খেলার মাঠ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, শৌচাগার, নলকূপ,ওয়াসা, ওজুখানা, ট্যাপ, গ্যাস ও মাদরাসার অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য


ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ইসলামের সঠিক রূপরেখা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মৌলিক আক্বিদা-বিশ্বাস, ইতিহাস-ঐতিহ্য, যুগোপযোগী আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে যথার্থ শিক্ষাদানের মাধ্যমে আদর্শবান দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, উপরন্তু আল্লাহ এবং তাঁর প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সন্তুষ্টি অর্জন করা। 

বৈশিষ্ট্যাবলি


১. বিষয়ভিত্তিক দক্ষ, নিষ্ঠাবান ও আদর্শবান মুহাদ্দিস, অধ্যাপক, প্রভাষক ও শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা পাঠদান।
২. সরকার কর্তৃক অনুমোদিত এবং যুগোপযোগী বিজ্ঞানভিত্তিক সিলেবাসের আলোকে পাঠদান।
৩. লেখাপড়ার পাশাপাশি চরিত্র গঠনে উন্নত প্রশিক্ষণ।
৪. কেন্দ্রীয় পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস এর ব্যবস্থা।
৫. মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিশেষ বৃত্তি ও পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা।
৬. মেধাবী গরিব ছাত্রদের আবাসিক সুযোগ-সুবিধা।
৭. সাপ্তাহিক বক্তৃতা ও বিতর্ক সভার আয়োজন।
৮. কম্পিউটার ট্রেনিং কোর্স ও নিয়মিত শরীরচর্চা।
৯. সমৃদ্ধ পাঠাগার ব্যবহারের সুযোগ।
১০. আরবি, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে বিশেষ পাঠদান।
১১. খেলাধুলা ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা।
১২. সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস।